জাতিসংঘ বাংলাদেশ কান্ট্রি টিম
ইভো ফ্রেইজেন হলেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (UNHCR) প্রতিনিধি। এর আগে তিনি লেবাননে UNHCR প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তারও আগে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে UNHCR প্রতিনিধি ছিলেন।
ইভো ফ্রেইজেনের মানবিক সহায়তা ক্ষেত্রে দেশীয়, আঞ্চলিক এবং সদর দপ্তর পর্যায়ে ৩০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি Médecins Sans Frontières (MSF), CARE International, Directorate-General for the European Civil Protection and Humanitarian Aid Office (ECHO), এবং United Nations Office for the Coordination of Humanitarian Affairs (OCHA)-তে কাজ করেছেন। তিনি রুয়ান্ডা, সুদান, ইরিত্রিয়া, ইরাক, মিশর এবং সিরিয়াসহ বিভিন্ন সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে কাজ করেছেন।
ইভো ফ্রেইজেন আরবি ও মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক স্টাডিজে মাস্টার্স ডিগ্রি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা অর্জন করেছেন। তিনি ডাচ, আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি ভাষায় কথা বলতে পারেন।
ইভো ফ্রেইজেনের মানবিক সহায়তা ক্ষেত্রে দেশীয়, আঞ্চলিক এবং সদর দপ্তর পর্যায়ে ৩০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি Médecins Sans Frontières (MSF), CARE International, Directorate-General for the European Civil Protection and Humanitarian Aid Office (ECHO), এবং United Nations Office for the Coordination of Humanitarian Affairs (OCHA)-তে কাজ করেছেন। তিনি রুয়ান্ডা, সুদান, ইরিত্রিয়া, ইরাক, মিশর এবং সিরিয়াসহ বিভিন্ন সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে কাজ করেছেন।
ইভো ফ্রেইজেন আরবি ও মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক স্টাডিজে মাস্টার্স ডিগ্রি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা অর্জন করেছেন। তিনি ডাচ, আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি ভাষায় কথা বলতে পারেন।
আরো পড়ুন
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বাংলাদেশ-এর নতুন রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ ও কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মিজ কোকো উশিয়ামা। জাপানের নাগরিক কোকো উশিয়ামা জাতিসংঘ ব্যবস্থার অধীনে তিন দশক ধরে জনসেবামূলক কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। জটিল মানবিক ও উন্নয়ন প্রেক্ষাপটে কৌশলগত ব্যবস্থাপনা, বহুপক্ষীয় সমন্বয়, অংশীদারিত্ব এবং অ্যাডভোকেসি কার্যক্রমে তাঁর রয়েছে দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা।
বাংলাদেশে যোগদানের পূর্বে তিনি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি পাকিস্তানের রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ ও কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নিউইয়র্কে অবস্থিত ইউএন সিস্টেম অ্যান্ড মাল্টিল্যাটারাল এনগেজমেন্ট ডিভিশনের পরিচালক, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি-এর মালাউই ও ইন্দোনেশিয়ার কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং কম্বোডিয়ায় ডব্লিউএফপির ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নাইরোবি, ম্যানিলা, ব্যাংকক ও রোমে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি-এর বিভিন্ন মাঠ পর্যায়, আঞ্চলিক ও সদর দপ্তরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। তিনি জাতিসংঘ সচিবালয় এবং আঞ্চলিক ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশনেও দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতিসংঘে যোগদানের পূর্বে তিনি টোকিওতে বেসরকারি খাতে কর্মরত ছিলেন ।
দীর্ঘ কর্মজীবনে মানবিক সহায়তা ও উন্নয়নে তাঁর নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও দুর্যোগ-সহনশীলতা জোরদারে ডব্লিউএফপির কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে কাজ করবেন।
বাংলাদেশে যোগদানের পূর্বে তিনি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি পাকিস্তানের রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ ও কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নিউইয়র্কে অবস্থিত ইউএন সিস্টেম অ্যান্ড মাল্টিল্যাটারাল এনগেজমেন্ট ডিভিশনের পরিচালক, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি-এর মালাউই ও ইন্দোনেশিয়ার কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং কম্বোডিয়ায় ডব্লিউএফপির ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নাইরোবি, ম্যানিলা, ব্যাংকক ও রোমে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি-এর বিভিন্ন মাঠ পর্যায়, আঞ্চলিক ও সদর দপ্তরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। তিনি জাতিসংঘ সচিবালয় এবং আঞ্চলিক ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশনেও দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতিসংঘে যোগদানের পূর্বে তিনি টোকিওতে বেসরকারি খাতে কর্মরত ছিলেন ।
দীর্ঘ কর্মজীবনে মানবিক সহায়তা ও উন্নয়নে তাঁর নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও দুর্যোগ-সহনশীলতা জোরদারে ডব্লিউএফপির কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে কাজ করবেন।
আরো পড়ুন
গীতাঞ্জলী সিং ইউএন উইমেন এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে, ২০২২ সালের জুলাই থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি ইউনিফেম ও ইউএন উইমেনের ১৯৯৮ সাল থেকে কাজ করছেন। ২০১৩ সালে, নেপালের কান্ট্রি অফিসে ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে যোগদানের আগে, তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তিনি ভুটান ও মালদ্বীপ বিষয়ক মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর নারীর অধিকার ও জেন্ডারসমতা, বিশেষ করে উন্নয়ন-মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ কনভেনশন (সিডো) বাস্তবায়নের কাজের ১৭ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে ।
তিনি ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে স্নাতকোত্তর, এবং লেডি শ্রীরাম কলেজ থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রীসহ, ফলিত মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
তিনি ইউনিফেম ও ইউএন উইমেনের ১৯৯৮ সাল থেকে কাজ করছেন। ২০১৩ সালে, নেপালের কান্ট্রি অফিসে ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে যোগদানের আগে, তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তিনি ভুটান ও মালদ্বীপ বিষয়ক মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর নারীর অধিকার ও জেন্ডারসমতা, বিশেষ করে উন্নয়ন-মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ কনভেনশন (সিডো) বাস্তবায়নের কাজের ১৭ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে ।
তিনি ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে স্নাতকোত্তর, এবং লেডি শ্রীরাম কলেজ থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রীসহ, ফলিত মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
আরো পড়ুন
ড. লরা টম্ বন্দ আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বাংলাদেশের চিফ অব মিশন। কানাডার নাগরিক ড. লরা টম্ বন্দ-এর দুই দশকেরও বেশি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার অধিকারী এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, জনস্বাস্থ্য ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য, এবং মানবিক কার্যক্রমে তাঁর বিস্তৃত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা রয়েছে।
বাংলাদেশে যোগদানের আগে তিনি ২০২০ সাল থেকে আইওএম মোজাম্বিকের চিফ অব মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি একটি জটিল কার্যক্রমিক পরিবেশে মানবিক সহায়তা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন এবং জাতিসংঘ সংস্থাসমূহ, উন্নয়ন অংশীদার এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করেন।
ড. টম্ বন্দ তাঁর পেশাজীবন শুরু করেন একজন নার্স হিসেবে। বিশেষায়িত নিবিড় পরিচর্যা (ইনটেনসিভ কেয়ার) সেবায় কাজ করার পর তিনি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ও মানবিক কার্যক্রমে যুক্ত হন এবং মোজাম্বিকে মাঠপর্যায়ে নেতৃত্বমূলক ভূমিকা পালন করেন। ২০১৭ সালে আইওএমে যোগদানের পর তিনি অভিবাসন স্বাস্থ্য ও শ্রম অভিবাসন খাতে বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা ও উপদেষ্টা পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময় তিনি বহুমুখী বিশেষজ্ঞ দল পরিচালনা এবং বৃহৎ পরিসরের সমন্বিত কর্মসূচির তত্ত্বাবধান করেছেন।
ড. লরা টম্ বন্দ কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ভিক্টোরিয়া থেকে পিএইচডি, নার্সিংয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি এবং ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন নার্সিং (বিএসএন) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি একজন ফ্যামিলি নার্স প্র্যাকটিশনারও। তিনি ইংরেজি ও পর্তুগিজ ভাষায় সাবলীল।
বাংলাদেশে যোগদানের আগে তিনি ২০২০ সাল থেকে আইওএম মোজাম্বিকের চিফ অব মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি একটি জটিল কার্যক্রমিক পরিবেশে মানবিক সহায়তা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন এবং জাতিসংঘ সংস্থাসমূহ, উন্নয়ন অংশীদার এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করেন।
ড. টম্ বন্দ তাঁর পেশাজীবন শুরু করেন একজন নার্স হিসেবে। বিশেষায়িত নিবিড় পরিচর্যা (ইনটেনসিভ কেয়ার) সেবায় কাজ করার পর তিনি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ও মানবিক কার্যক্রমে যুক্ত হন এবং মোজাম্বিকে মাঠপর্যায়ে নেতৃত্বমূলক ভূমিকা পালন করেন। ২০১৭ সালে আইওএমে যোগদানের পর তিনি অভিবাসন স্বাস্থ্য ও শ্রম অভিবাসন খাতে বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা ও উপদেষ্টা পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময় তিনি বহুমুখী বিশেষজ্ঞ দল পরিচালনা এবং বৃহৎ পরিসরের সমন্বিত কর্মসূচির তত্ত্বাবধান করেছেন।
ড. লরা টম্ বন্দ কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ভিক্টোরিয়া থেকে পিএইচডি, নার্সিংয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি এবং ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন নার্সিং (বিএসএন) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি একজন ফ্যামিলি নার্স প্র্যাকটিশনারও। তিনি ইংরেজি ও পর্তুগিজ ভাষায় সাবলীল।
আরো পড়ুন
ড. সুসান ভাইজ, ইউনেস্কো অফিসার-ইন-চার্জ
স্যু ভাইজ ২০২২ সালের জুলাই মাসে ইউনেস্কো ঢাকায় অফিসার-ইন-চার্জের দায়িত্ব গ্রহণ করেন; তিনি বাংলাদেশে শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, যোগাযোগ এবং তথ্যের পাশাপাশি সামাজিক ও মানব বিজ্ঞান কর্মসূচির আওতায় ইউনেস্কোর ম্যান্ডেটের দায়িত্বে রয়েছেন।
এর আগে তিনি ব্যাংককে অবস্থিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ইউনেস্কোর সামাজিক ও মানব বিজ্ঞানের আঞ্চলিক উপদেষ্টা ছিলেন। এছাড়াও, তিনি একজন শিক্ষক; প্রশিক্ষক; এবং অস্ট্রেলিয়ার উত্তর কুইন্সল্যান্ডের আদিবাসী সম্প্রদায় ও কর্মহীনদের জন্য একটি কমিউনিটি-ভিত্তিক TVET সংস্থা FNQ প্রশিক্ষণের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ছিলেন।
সু মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমিউনিটি ন্যাচারাল রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে পিএইচডি এবং অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সামাজিক বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেছেন।
স্যু ভাইজ ২০২২ সালের জুলাই মাসে ইউনেস্কো ঢাকায় অফিসার-ইন-চার্জের দায়িত্ব গ্রহণ করেন; তিনি বাংলাদেশে শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, যোগাযোগ এবং তথ্যের পাশাপাশি সামাজিক ও মানব বিজ্ঞান কর্মসূচির আওতায় ইউনেস্কোর ম্যান্ডেটের দায়িত্বে রয়েছেন।
এর আগে তিনি ব্যাংককে অবস্থিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ইউনেস্কোর সামাজিক ও মানব বিজ্ঞানের আঞ্চলিক উপদেষ্টা ছিলেন। এছাড়াও, তিনি একজন শিক্ষক; প্রশিক্ষক; এবং অস্ট্রেলিয়ার উত্তর কুইন্সল্যান্ডের আদিবাসী সম্প্রদায় ও কর্মহীনদের জন্য একটি কমিউনিটি-ভিত্তিক TVET সংস্থা FNQ প্রশিক্ষণের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ছিলেন।
সু মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমিউনিটি ন্যাচারাল রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে পিএইচডি এবং অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সামাজিক বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেছেন।
আরো পড়ুন
ডঃ জিয়াওকুন শি বাংলাদেশে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) নতুন প্রতিনিধি। ডঃ শি দেশে এফএও কর্মসূচির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের নেতৃত্ব দেবেন।
তিনি ২০১৯ সালে ইতালির রোমে এফএও সদর দপ্তরে ডেপুটি ডিরেক্টর-জেনারেল-এর সিনিয়র কমপ্লায়েন্স অ্যাডভাইজার হিসেবে এফএও-তে যোগদান করেন। জানুয়ারী ২০২১ সাল থেকে, তিনি থাইল্যান্ডের ব্যাংকক-এ এফএও আঞ্চলিক অফিস - এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (RAP)-এর বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জিয়াকুন শি ১৯৮৮ সালে চীনের জিয়াংফান, চীন সরকারের জিয়াংফান বিভাগের গবেষক হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৬-২০০৪ পর্যন্ত, তিনি চীনের বেইজিং-এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ বিভাগে ডেপুটি ডিরেক্টর অব পার্সোনেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৭-১০ সালের মধ্যে, তিনি চীনের বেইজিং-এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের জেনারেল ডিভিশনের পরিচালক ছিলেন। ২০০৯সালে, তিনি চীনের জিয়াংজিতে তুজিয়া এবং মিয়াও স্বায়ত্তশাসিত সরকারের ডেপুটি প্রিফেকচার গভর্নর হিসেবে কাজ করেন। ২০১০-১৬ পর্যন্ত, তিনি চীনের বেইজিং-এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের জেনারেল অফিসের ডেপুটি ডিরেক্টর-জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।২০১৬=১৯ মধ্যে, তিনি ইতালির রোমে তিনটি জাতিসংঘের রোম-ভিত্তিক সংস্থাগুলিতে (RBAs) গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের স্থায়ী প্রতিনিধিত্বে উপ-প্রতিনিধি ছিলেন।
ডঃ শি, চীনের নাগরিক, উহান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতকোত্তর এবং ইতিহাসে স্নাতক এবং চীনের ন্যাশনাল একাডেমি অফ গভর্নেন্স থেকে আইনে ডক্টর অফ ফিলোসফি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
তিনি ২০১৯ সালে ইতালির রোমে এফএও সদর দপ্তরে ডেপুটি ডিরেক্টর-জেনারেল-এর সিনিয়র কমপ্লায়েন্স অ্যাডভাইজার হিসেবে এফএও-তে যোগদান করেন। জানুয়ারী ২০২১ সাল থেকে, তিনি থাইল্যান্ডের ব্যাংকক-এ এফএও আঞ্চলিক অফিস - এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (RAP)-এর বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জিয়াকুন শি ১৯৮৮ সালে চীনের জিয়াংফান, চীন সরকারের জিয়াংফান বিভাগের গবেষক হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৬-২০০৪ পর্যন্ত, তিনি চীনের বেইজিং-এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ বিভাগে ডেপুটি ডিরেক্টর অব পার্সোনেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৭-১০ সালের মধ্যে, তিনি চীনের বেইজিং-এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের জেনারেল ডিভিশনের পরিচালক ছিলেন। ২০০৯সালে, তিনি চীনের জিয়াংজিতে তুজিয়া এবং মিয়াও স্বায়ত্তশাসিত সরকারের ডেপুটি প্রিফেকচার গভর্নর হিসেবে কাজ করেন। ২০১০-১৬ পর্যন্ত, তিনি চীনের বেইজিং-এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের জেনারেল অফিসের ডেপুটি ডিরেক্টর-জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।২০১৬=১৯ মধ্যে, তিনি ইতালির রোমে তিনটি জাতিসংঘের রোম-ভিত্তিক সংস্থাগুলিতে (RBAs) গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের স্থায়ী প্রতিনিধিত্বে উপ-প্রতিনিধি ছিলেন।
ডঃ শি, চীনের নাগরিক, উহান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতকোত্তর এবং ইতিহাসে স্নাতক এবং চীনের ন্যাশনাল একাডেমি অফ গভর্নেন্স থেকে আইনে ডক্টর অফ ফিলোসফি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
আরো পড়ুন
ম্যাক্স টুনন (মি.) বাংলাদেশের আইএলও অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে, ১ আগস্ট ২০২৫ থেকে, তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
এর আগে, তিনি কাতারের দোহায় আইএলও অফিসের কর্ম প্রধান ছিলেন। এই পদে তিনি কাতার সরকার এবং নানা অংশীদারদের সাথে একটি বিস্তৃত শ্রম সংস্কার এজেন্ডায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছিলেন। তিনি একই অফিসে কারিগরি বিশেষজ্ঞ হিসেবে মজুরি সুরক্ষা, শ্রম ব্যাবস্থা পরিদর্শন এবং পেশাগত সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কর্মসূচি তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন।
২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত, মি. টুনন নয়াদিল্লিতে আইএলও উপ-আঞ্চলিক অফিসে অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার শ্রম অভিবাসন (মাইগ্রেসন) বিশেষজ্ঞ ছিলেন। সেখানে তিনি ছয়টি দেশে এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে শ্রম অভিবাসনের শাসনের নীতি নির্ধারণে সহায়তা করেছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে গবেষণা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সরকার এবং সামাজিক অংশীদারদের পরামর্শমূলক সাহায্য প্রদান।
২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত, তিনি ব্যাংককে আইএলও আঞ্চলিক অফিসে ট্রায়াঙ্গেল প্রকল্প পরিচালনা করেছিলেন। এই কাজটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছয়টি দেশ এবং আসিয়ান আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়োগ এবং শ্রম সুরক্ষা নীতি এবং অনুশীলনকে শক্তিশালী করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। তিনি থাইল্যান্ডের সামুদ্রিক মাছ উত্তেলন এবং সামুদ্রিক খাবার প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে কর্মপরিবেশ উন্নত করার জন্য কর্মসূচিতেও কাজ করেছেন।
এর আগে, তিনি কাতারের দোহায় আইএলও অফিসের কর্ম প্রধান ছিলেন। এই পদে তিনি কাতার সরকার এবং নানা অংশীদারদের সাথে একটি বিস্তৃত শ্রম সংস্কার এজেন্ডায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছিলেন। তিনি একই অফিসে কারিগরি বিশেষজ্ঞ হিসেবে মজুরি সুরক্ষা, শ্রম ব্যাবস্থা পরিদর্শন এবং পেশাগত সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কর্মসূচি তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন।
২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত, মি. টুনন নয়াদিল্লিতে আইএলও উপ-আঞ্চলিক অফিসে অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার শ্রম অভিবাসন (মাইগ্রেসন) বিশেষজ্ঞ ছিলেন। সেখানে তিনি ছয়টি দেশে এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে শ্রম অভিবাসনের শাসনের নীতি নির্ধারণে সহায়তা করেছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে গবেষণা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সরকার এবং সামাজিক অংশীদারদের পরামর্শমূলক সাহায্য প্রদান।
২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত, তিনি ব্যাংককে আইএলও আঞ্চলিক অফিসে ট্রায়াঙ্গেল প্রকল্প পরিচালনা করেছিলেন। এই কাজটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছয়টি দেশ এবং আসিয়ান আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়োগ এবং শ্রম সুরক্ষা নীতি এবং অনুশীলনকে শক্তিশালী করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। তিনি থাইল্যান্ডের সামুদ্রিক মাছ উত্তেলন এবং সামুদ্রিক খাবার প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে কর্মপরিবেশ উন্নত করার জন্য কর্মসূচিতেও কাজ করেছেন।
আরো পড়ুন
সুধীর মুরলীধরন, ইউএনওপিএস কান্ট্রি ম্যানেজার
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সেক্টরে ১৭ বছরসহ, ৩৩ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসহ, সুধীর মুরলীধরন বাংলাদেশে সুধীর মুরলীধরন, ইউএনওপিএস কান্ট্রি ম্যানেজার কাজ করছেন। পেশায় একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসাবে প্রশিক্ষিত, তিনি প্রোগ্রাম-পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনায়, বহু-কার্যকরী এবং বহু-শৃঙ্খলা দলের তত্ত্বাবধান, ঋণ এবং অনুদানের বিশ্বস্ত দিকগুলির তত্ত্বাবধান, এবং গুণমানের নিশ্চয়তা বিষয়ে বহুল অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা নিয়ে তিনি সংস্থাটি পরিচালনা করছেন। তিনি ২০১৭ সাহাল থেকে, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপে ইউএনওপিএস-এর কান্ট্রি ম্যানেজার হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ও ২০২২ সাল পর্যন্ত সেই দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১৫ সালে ইউএনওপিএস দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সহায়তা পরিষেবার প্রধান হিসাবে, ইউএনওপিএস শ্রীলঙ্কায় যোগদান করেন এবং ২০১৯-এর শেষ পর্যন্ত এই ভূমিকার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন। তিনি ইউএনওপিএস-এ যোগদান করেন ২০০৫ সালে চীনে গ্লোবাল ফান্ড লোকাল ফান্ড এজেন্ট প্রোগ্রামের সিনিয়র ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট এবং সিস্টেম বিশেষজ্ঞ হিসাবে। ২০০৯ সালে তিনি এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে এই প্রোগ্রামের জন্য আঞ্চলিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সিস্টেম বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরে তিনি এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ৬টি দেশের জন্য একই প্রোগ্রামের উপ-আঞ্চলিক সমন্বয়কারী নিযুক্ত হন।
ইউএনওপিএস-এ যোগদানের আগে,তিনি রোমে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট (আইএফএডি)-এর আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ঋণ প্রশাসন এবং প্রকিউরমেন্ট কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। এর আগে, তিনি ভারতের নয়া দিল্লিতে তার নিজস্ব অ্যাকাউন্টিং এবং অডিট অনুশীলন চালাতেন।
একজন ভারতীয় নাগরিক, মিঃ মুরলীধরন ইংরেজি, হিন্দি এবং মালায়লাম ভাষায় পারদর্শী।
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সেক্টরে ১৭ বছরসহ, ৩৩ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসহ, সুধীর মুরলীধরন বাংলাদেশে সুধীর মুরলীধরন, ইউএনওপিএস কান্ট্রি ম্যানেজার কাজ করছেন। পেশায় একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসাবে প্রশিক্ষিত, তিনি প্রোগ্রাম-পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনায়, বহু-কার্যকরী এবং বহু-শৃঙ্খলা দলের তত্ত্বাবধান, ঋণ এবং অনুদানের বিশ্বস্ত দিকগুলির তত্ত্বাবধান, এবং গুণমানের নিশ্চয়তা বিষয়ে বহুল অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা নিয়ে তিনি সংস্থাটি পরিচালনা করছেন। তিনি ২০১৭ সাহাল থেকে, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপে ইউএনওপিএস-এর কান্ট্রি ম্যানেজার হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ও ২০২২ সাল পর্যন্ত সেই দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১৫ সালে ইউএনওপিএস দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সহায়তা পরিষেবার প্রধান হিসাবে, ইউএনওপিএস শ্রীলঙ্কায় যোগদান করেন এবং ২০১৯-এর শেষ পর্যন্ত এই ভূমিকার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন। তিনি ইউএনওপিএস-এ যোগদান করেন ২০০৫ সালে চীনে গ্লোবাল ফান্ড লোকাল ফান্ড এজেন্ট প্রোগ্রামের সিনিয়র ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট এবং সিস্টেম বিশেষজ্ঞ হিসাবে। ২০০৯ সালে তিনি এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে এই প্রোগ্রামের জন্য আঞ্চলিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সিস্টেম বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরে তিনি এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ৬টি দেশের জন্য একই প্রোগ্রামের উপ-আঞ্চলিক সমন্বয়কারী নিযুক্ত হন।
ইউএনওপিএস-এ যোগদানের আগে,তিনি রোমে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট (আইএফএডি)-এর আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ঋণ প্রশাসন এবং প্রকিউরমেন্ট কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। এর আগে, তিনি ভারতের নয়া দিল্লিতে তার নিজস্ব অ্যাকাউন্টিং এবং অডিট অনুশীলন চালাতেন।
একজন ভারতীয় নাগরিক, মিঃ মুরলীধরন ইংরেজি, হিন্দি এবং মালায়লাম ভাষায় পারদর্শী।
আরো পড়ুন
সোনিয়া মেহজাবীন প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট এবং অপারেশন এর বিভিন্ন বিষয়ে বেসরকারী এবং উন্নয়ন উভয় ক্ষেত্রেই ২০ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে। ইউএনভি বাংলাদেশে যোগদানের আগে তিনি ইউএনডিপি আঞ্চলিক ব্যুরো ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিকের সাথে ব্যাংকক ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ হিসেবে ছিলেন। এর আগে তিনি ইউএনডিপি তিমুর-লেস্তে এবং বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসে অপারেশন ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ইউএনডিপি মালদ্বীপ, নেপাল এবং মালয়েশিয়া কান্ট্রি অফিস অপারেশনের পাশাপাশি নিউইয়র্কে ইউএনডিপি কর্পোরেট সদর দফতরে ব্যুরো অফ পলিসি অ্যান্ড প্রোগ্রাম সাপোর্টের সাথে স্বল্পমেয়াদী অ্যাসাইনমেন্টে কাজ করেছেন। কর্মজীবনের প্রথম দিকে, তিনি তেল ও গ্যাস এবং টেলিকম খাতে বেসরকারি বহুজাতিক সংস্থার সাথে কাজ করেছেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
She holds a master’s degree in Business Administration from the University of Dhaka.
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
She holds a master’s degree in Business Administration from the University of Dhaka.
আরো পড়ুন
মিঃ স্টিফেন রড্রিকেস ইউএনডিপি (UNDP) বাংলাদেশে আবাসিক প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিয়েছেন।
এই দায়িত্ব গ্রহণের আগে, তিনি ইউএনডিপি আফগানিস্তানে আবাসিক প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি ইউএনডিপি লাইবেরিয়া ও ইউএনডিপি রুয়ান্ডাতেও আবাসিক প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন; সেখানে তিনি বেশ কয়েক বছর কান্ট্রি ডিরেক্টর বা দেশীয় পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন। কর্মজীবনের শুরুর দিকে তিনি ইউএনডিপি ইন্দোনেশিয়ায় ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন।
২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত মিঃ রড্রিকেস নিউ ইয়র্কে ইউএনডিপি সদর দপ্তরের নির্বাহী কার্যালয়ে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ইউএনডিপি জ্যামাইকায় ‘গভর্ন্যান্স অ্যান্ড পভার্টি ইউনিট’-এর প্রধান এবং ইউনিভার্সিটি অফ দ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ-এ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ইউএনডিপিতে যোগদানের আগে, মিঃ রড্রিকেস জ্যামাইকা সরকারের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় সরকার ও কমিউনিটি উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ে সামাজিক নীতি (Social Policy) বিষয়ক পরিচালক, জ্যামাইকা সোশ্যাল ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড-এ পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান এবং প্ল্যানিং ইনস্টিটিউট অফ জ্যামাইকা-তে মহাপরিচালকের সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন।
মিঃ রড্রিকেস স্পেনের বার্সেলোনায় অবস্থিত আইইএসই (IESE) বিজনেস স্কুল থেকে ‘মাস্টার অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ (MBA) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি জ্যামাইকার ইউনিভার্সিটি অফ দ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে ‘গভর্নমেন্ট’ বা শাসনব্যবস্থা বিষয়ে ‘মাস্টার অফ ফিলোসফি’ (M.Phil) এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতক (প্রথম শ্রেণীর সম্মানসহ) ডিগ্রি লাভ করেছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং দুই কন্যার জনক। তিনি সাবলীলভাবে ইংরেজি ও স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলতে পারেন।
এই দায়িত্ব গ্রহণের আগে, তিনি ইউএনডিপি আফগানিস্তানে আবাসিক প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি ইউএনডিপি লাইবেরিয়া ও ইউএনডিপি রুয়ান্ডাতেও আবাসিক প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন; সেখানে তিনি বেশ কয়েক বছর কান্ট্রি ডিরেক্টর বা দেশীয় পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন। কর্মজীবনের শুরুর দিকে তিনি ইউএনডিপি ইন্দোনেশিয়ায় ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন।
২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত মিঃ রড্রিকেস নিউ ইয়র্কে ইউএনডিপি সদর দপ্তরের নির্বাহী কার্যালয়ে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ইউএনডিপি জ্যামাইকায় ‘গভর্ন্যান্স অ্যান্ড পভার্টি ইউনিট’-এর প্রধান এবং ইউনিভার্সিটি অফ দ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ-এ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ইউএনডিপিতে যোগদানের আগে, মিঃ রড্রিকেস জ্যামাইকা সরকারের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় সরকার ও কমিউনিটি উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ে সামাজিক নীতি (Social Policy) বিষয়ক পরিচালক, জ্যামাইকা সোশ্যাল ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড-এ পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান এবং প্ল্যানিং ইনস্টিটিউট অফ জ্যামাইকা-তে মহাপরিচালকের সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন।
মিঃ রড্রিকেস স্পেনের বার্সেলোনায় অবস্থিত আইইএসই (IESE) বিজনেস স্কুল থেকে ‘মাস্টার অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ (MBA) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি জ্যামাইকার ইউনিভার্সিটি অফ দ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে ‘গভর্নমেন্ট’ বা শাসনব্যবস্থা বিষয়ে ‘মাস্টার অফ ফিলোসফি’ (M.Phil) এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতক (প্রথম শ্রেণীর সম্মানসহ) ডিগ্রি লাভ করেছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং দুই কন্যার জনক। তিনি সাবলীলভাবে ইংরেজি ও স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলতে পারেন।
আরো পড়ুন