জাতিসংঘ বাংলাদেশ কান্ট্রি টিম
ইভো ফ্রেইজেন হলেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (UNHCR) প্রতিনিধি। এর আগে তিনি লেবাননে UNHCR প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তারও আগে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে UNHCR প্রতিনিধি ছিলেন।
ইভো ফ্রেইজেনের মানবিক সহায়তা ক্ষেত্রে দেশীয়, আঞ্চলিক এবং সদর দপ্তর পর্যায়ে ৩০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি Médecins Sans Frontières (MSF), CARE International, Directorate-General for the European Civil Protection and Humanitarian Aid Office (ECHO), এবং United Nations Office for the Coordination of Humanitarian Affairs (OCHA)-তে কাজ করেছেন। তিনি রুয়ান্ডা, সুদান, ইরিত্রিয়া, ইরাক, মিশর এবং সিরিয়াসহ বিভিন্ন সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে কাজ করেছেন।
ইভো ফ্রেইজেন আরবি ও মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক স্টাডিজে মাস্টার্স ডিগ্রি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা অর্জন করেছেন। তিনি ডাচ, আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি ভাষায় কথা বলতে পারেন।
ইভো ফ্রেইজেনের মানবিক সহায়তা ক্ষেত্রে দেশীয়, আঞ্চলিক এবং সদর দপ্তর পর্যায়ে ৩০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি Médecins Sans Frontières (MSF), CARE International, Directorate-General for the European Civil Protection and Humanitarian Aid Office (ECHO), এবং United Nations Office for the Coordination of Humanitarian Affairs (OCHA)-তে কাজ করেছেন। তিনি রুয়ান্ডা, সুদান, ইরিত্রিয়া, ইরাক, মিশর এবং সিরিয়াসহ বিভিন্ন সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে কাজ করেছেন।
ইভো ফ্রেইজেন আরবি ও মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক স্টাডিজে মাস্টার্স ডিগ্রি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা অর্জন করেছেন। তিনি ডাচ, আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি ভাষায় কথা বলতে পারেন।
আরো পড়ুন
গীতাঞ্জলী সিং ইউএন উইমেন এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে, ২০২২ সালের জুলাই থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি ইউনিফেম ও ইউএন উইমেনের ১৯৯৮ সাল থেকে কাজ করছেন। ২০১৩ সালে, নেপালের কান্ট্রি অফিসে ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে যোগদানের আগে, তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তিনি ভুটান ও মালদ্বীপ বিষয়ক মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর নারীর অধিকার ও জেন্ডারসমতা, বিশেষ করে উন্নয়ন-মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ কনভেনশন (সিডো) বাস্তবায়নের কাজের ১৭ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে ।
তিনি ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে স্নাতকোত্তর, এবং লেডি শ্রীরাম কলেজ থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রীসহ, ফলিত মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
তিনি ইউনিফেম ও ইউএন উইমেনের ১৯৯৮ সাল থেকে কাজ করছেন। ২০১৩ সালে, নেপালের কান্ট্রি অফিসে ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে যোগদানের আগে, তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তিনি ভুটান ও মালদ্বীপ বিষয়ক মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর নারীর অধিকার ও জেন্ডারসমতা, বিশেষ করে উন্নয়ন-মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ কনভেনশন (সিডো) বাস্তবায়নের কাজের ১৭ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে ।
তিনি ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে স্নাতকোত্তর, এবং লেডি শ্রীরাম কলেজ থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রীসহ, ফলিত মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
আরো পড়ুন
জেসমুল হাসান, ২২-বছরের অভিজ্ঞ একজন উন্নয়ন পেশাদার, বাংলাদেশে ইউএনসিডিএফ-এর সমন্বয়কারী হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন।
তিনি জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়, জাতিসংঘের সকল সংস্থা এবং সরকারের সাথে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করছেন। ইউএনসিডিএফ-এ যোগদানের আগে, তিনি ডিএফআইডি, সিআইডিএ, ইউএনএইচসিআর,
আইএলও এবং সেভ দ্য চিলড্রেনে কাজ করেছেন। তিনি একজন শিক্ষাবিদ, মানবাধিকার কর্মী এবং প্রিন্ট মিডিয়াকর্মী হিসাবেও কাজ করেছেন। মানবাধিকার ইস্যুতে তার বেশ কিছু প্রকাশনাও রয়েছে।
তিনি হার্ভার্ড কেনেডি স্কুল থেকে স্নাতক করেছেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন।
তিনি জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়, জাতিসংঘের সকল সংস্থা এবং সরকারের সাথে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করছেন। ইউএনসিডিএফ-এ যোগদানের আগে, তিনি ডিএফআইডি, সিআইডিএ, ইউএনএইচসিআর,
আইএলও এবং সেভ দ্য চিলড্রেনে কাজ করেছেন। তিনি একজন শিক্ষাবিদ, মানবাধিকার কর্মী এবং প্রিন্ট মিডিয়াকর্মী হিসাবেও কাজ করেছেন। মানবাধিকার ইস্যুতে তার বেশ কিছু প্রকাশনাও রয়েছে।
তিনি হার্ভার্ড কেনেডি স্কুল থেকে স্নাতক করেছেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন।
আরো পড়ুন
ড. সুসান ভাইজ, ইউনেস্কো অফিসার-ইন-চার্জ
স্যু ভাইজ ২০২২ সালের জুলাই মাসে ইউনেস্কো ঢাকায় অফিসার-ইন-চার্জের দায়িত্ব গ্রহণ করেন; তিনি বাংলাদেশে শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, যোগাযোগ এবং তথ্যের পাশাপাশি সামাজিক ও মানব বিজ্ঞান কর্মসূচির আওতায় ইউনেস্কোর ম্যান্ডেটের দায়িত্বে রয়েছেন।
এর আগে তিনি ব্যাংককে অবস্থিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ইউনেস্কোর সামাজিক ও মানব বিজ্ঞানের আঞ্চলিক উপদেষ্টা ছিলেন। এছাড়াও, তিনি একজন শিক্ষক; প্রশিক্ষক; এবং অস্ট্রেলিয়ার উত্তর কুইন্সল্যান্ডের আদিবাসী সম্প্রদায় ও কর্মহীনদের জন্য একটি কমিউনিটি-ভিত্তিক TVET সংস্থা FNQ প্রশিক্ষণের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ছিলেন।
সু মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমিউনিটি ন্যাচারাল রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে পিএইচডি এবং অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সামাজিক বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেছেন।
স্যু ভাইজ ২০২২ সালের জুলাই মাসে ইউনেস্কো ঢাকায় অফিসার-ইন-চার্জের দায়িত্ব গ্রহণ করেন; তিনি বাংলাদেশে শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, যোগাযোগ এবং তথ্যের পাশাপাশি সামাজিক ও মানব বিজ্ঞান কর্মসূচির আওতায় ইউনেস্কোর ম্যান্ডেটের দায়িত্বে রয়েছেন।
এর আগে তিনি ব্যাংককে অবস্থিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ইউনেস্কোর সামাজিক ও মানব বিজ্ঞানের আঞ্চলিক উপদেষ্টা ছিলেন। এছাড়াও, তিনি একজন শিক্ষক; প্রশিক্ষক; এবং অস্ট্রেলিয়ার উত্তর কুইন্সল্যান্ডের আদিবাসী সম্প্রদায় ও কর্মহীনদের জন্য একটি কমিউনিটি-ভিত্তিক TVET সংস্থা FNQ প্রশিক্ষণের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ছিলেন।
সু মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমিউনিটি ন্যাচারাল রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে পিএইচডি এবং অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সামাজিক বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেছেন।
আরো পড়ুন
ডঃ জিয়াওকুন শি বাংলাদেশে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) নতুন প্রতিনিধি। ডঃ শি দেশে এফএও কর্মসূচির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের নেতৃত্ব দেবেন।
তিনি ২০১৯ সালে ইতালির রোমে এফএও সদর দপ্তরে ডেপুটি ডিরেক্টর-জেনারেল-এর সিনিয়র কমপ্লায়েন্স অ্যাডভাইজার হিসেবে এফএও-তে যোগদান করেন। জানুয়ারী ২০২১ সাল থেকে, তিনি থাইল্যান্ডের ব্যাংকক-এ এফএও আঞ্চলিক অফিস - এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (RAP)-এর বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জিয়াকুন শি ১৯৮৮ সালে চীনের জিয়াংফান, চীন সরকারের জিয়াংফান বিভাগের গবেষক হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৬-২০০৪ পর্যন্ত, তিনি চীনের বেইজিং-এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ বিভাগে ডেপুটি ডিরেক্টর অব পার্সোনেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৭-১০ সালের মধ্যে, তিনি চীনের বেইজিং-এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের জেনারেল ডিভিশনের পরিচালক ছিলেন। ২০০৯সালে, তিনি চীনের জিয়াংজিতে তুজিয়া এবং মিয়াও স্বায়ত্তশাসিত সরকারের ডেপুটি প্রিফেকচার গভর্নর হিসেবে কাজ করেন। ২০১০-১৬ পর্যন্ত, তিনি চীনের বেইজিং-এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের জেনারেল অফিসের ডেপুটি ডিরেক্টর-জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।২০১৬=১৯ মধ্যে, তিনি ইতালির রোমে তিনটি জাতিসংঘের রোম-ভিত্তিক সংস্থাগুলিতে (RBAs) গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের স্থায়ী প্রতিনিধিত্বে উপ-প্রতিনিধি ছিলেন।
ডঃ শি, চীনের নাগরিক, উহান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতকোত্তর এবং ইতিহাসে স্নাতক এবং চীনের ন্যাশনাল একাডেমি অফ গভর্নেন্স থেকে আইনে ডক্টর অফ ফিলোসফি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
তিনি ২০১৯ সালে ইতালির রোমে এফএও সদর দপ্তরে ডেপুটি ডিরেক্টর-জেনারেল-এর সিনিয়র কমপ্লায়েন্স অ্যাডভাইজার হিসেবে এফএও-তে যোগদান করেন। জানুয়ারী ২০২১ সাল থেকে, তিনি থাইল্যান্ডের ব্যাংকক-এ এফএও আঞ্চলিক অফিস - এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (RAP)-এর বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জিয়াকুন শি ১৯৮৮ সালে চীনের জিয়াংফান, চীন সরকারের জিয়াংফান বিভাগের গবেষক হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৬-২০০৪ পর্যন্ত, তিনি চীনের বেইজিং-এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ বিভাগে ডেপুটি ডিরেক্টর অব পার্সোনেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৭-১০ সালের মধ্যে, তিনি চীনের বেইজিং-এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের জেনারেল ডিভিশনের পরিচালক ছিলেন। ২০০৯সালে, তিনি চীনের জিয়াংজিতে তুজিয়া এবং মিয়াও স্বায়ত্তশাসিত সরকারের ডেপুটি প্রিফেকচার গভর্নর হিসেবে কাজ করেন। ২০১০-১৬ পর্যন্ত, তিনি চীনের বেইজিং-এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের জেনারেল অফিসের ডেপুটি ডিরেক্টর-জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।২০১৬=১৯ মধ্যে, তিনি ইতালির রোমে তিনটি জাতিসংঘের রোম-ভিত্তিক সংস্থাগুলিতে (RBAs) গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের স্থায়ী প্রতিনিধিত্বে উপ-প্রতিনিধি ছিলেন।
ডঃ শি, চীনের নাগরিক, উহান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতকোত্তর এবং ইতিহাসে স্নাতক এবং চীনের ন্যাশনাল একাডেমি অফ গভর্নেন্স থেকে আইনে ডক্টর অফ ফিলোসফি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
আরো পড়ুন
ফেলিপ রামোসের >১৮ বছরের পেশাদার অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা তিনি বিভিন্ন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশে অর্জন করেছেন।
তিনি ২০০৫ সালে রিও ডি জেনিরোর হারবার গার্ডের এজেন্ট হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৮ সালে তিনি রিও ডি জেনিরো স্টেট পুলিশ ডিপার্টমেন্টে (PMERJ) যোগদান করেন,যেখানে তিনি ২০ তম ব্যাটালিয়নের ৪র্থ কোম্পানির নেতৃত্ব দেন এবং রিও ডি জেনিরো সিটিতে ২৭ তম ব্যাটালিয়নের ১ম কোম্পানির সহ-নেতৃত্ব করেন। তিনি ডুক ডি ক্যাক্সিয়াস শহরের কমিউনিটি পুলিশিং ইউনিটের ডেপুটি কমান্ডার এবং বিভিন্ন অপারেশনাল ইউনিটের প্ল্যানিং সেকশনের ডেপুটি চিফ হিসেবেও কাজ করেছেন। ফিলিপকে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত হাইতিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিযুক্ত করা হয়েছিল। এছাড়াও তিনি ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ইন্টারপোলের জন্য কাজ করেছেন, প্রথমে ফ্রান্সের লিওনে কৌশলগত পরিকল্পনা ইউনিটে এবং সম্প্রতি সমুদ্র নিরাপত্তা ইউনিটে একজন অপরাধমূলক গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। আবিদজান, আইভরি কোট এবং নাইরোবি, কেনিয়ার।
ফেলিপ ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো স্টেট পুলিশ অফিসার স্কুল থেকে স্নাতক, আইনের স্নাতক এবং আন্তর্জাতিক জনপ্রশাসন ও রাজনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
তিনি ২০০৫ সালে রিও ডি জেনিরোর হারবার গার্ডের এজেন্ট হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৮ সালে তিনি রিও ডি জেনিরো স্টেট পুলিশ ডিপার্টমেন্টে (PMERJ) যোগদান করেন,যেখানে তিনি ২০ তম ব্যাটালিয়নের ৪র্থ কোম্পানির নেতৃত্ব দেন এবং রিও ডি জেনিরো সিটিতে ২৭ তম ব্যাটালিয়নের ১ম কোম্পানির সহ-নেতৃত্ব করেন। তিনি ডুক ডি ক্যাক্সিয়াস শহরের কমিউনিটি পুলিশিং ইউনিটের ডেপুটি কমান্ডার এবং বিভিন্ন অপারেশনাল ইউনিটের প্ল্যানিং সেকশনের ডেপুটি চিফ হিসেবেও কাজ করেছেন। ফিলিপকে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত হাইতিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিযুক্ত করা হয়েছিল। এছাড়াও তিনি ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ইন্টারপোলের জন্য কাজ করেছেন, প্রথমে ফ্রান্সের লিওনে কৌশলগত পরিকল্পনা ইউনিটে এবং সম্প্রতি সমুদ্র নিরাপত্তা ইউনিটে একজন অপরাধমূলক গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। আবিদজান, আইভরি কোট এবং নাইরোবি, কেনিয়ার।
ফেলিপ ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো স্টেট পুলিশ অফিসার স্কুল থেকে স্নাতক, আইনের স্নাতক এবং আন্তর্জাতিক জনপ্রশাসন ও রাজনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
আরো পড়ুন
মি. জ্যাসেপ্পে লোপ্রিট ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম-জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা) বাংলাদেশ-এ চীফ অব মিশন (অন্তর্বর্তীকালীন) হিসেবে যোগদান করেছেন। মি. জ্যাসেপ্পে আইওএম বাংলাদেশে দায়িত্ব নেওয়ার আগে আইওএম-এর পানামা (গ্লোবাল) অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সেন্টারের পরিচালক এবং পানামায় চীফ অব মিশন হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কূটনীতি ও জনসেবায় প্রায় দুই দশকের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মি. জ্যাসেপ্পে লোপ্রিট আইওএম-এর সাথে প্রায় ১৮ বছর ধরে যুক্ত রয়েছেন।
তিনি ২০০৭ সালে জেনেভা সদর দপ্তরে অ্যাসোসিয়েট এক্সপার্ট/ডোনার রিলেশনস অফিসার হিসেবে আইওএম-এ যোগ দেন। তাঁর কর্মজীবনে এ সংস্থার হয়ে তিনি হাইতি, নাইজার এবং সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে চীফ অব মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি শ্রীলঙ্কায় প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্ট অফিসার এবং চীফ অব মিশন (অন্তর্বর্তীকালীন) হিসেবে কাজ করেছেন।
আইওএম-এ যোগদানের আগে তিনি ইতালির শ্রম মন্ত্রণালয় এবং ইতালিয়ান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যাটিস্টিকসে পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া রোম, ইতালিতে আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান সহযোগিতা বিষয়ক একটি অলাভজনক সংস্থায় টেন্ডার অফিসার হিসেবেও কর্মরত ছিলেন।
মি. জ্যাসেপ্পে লোপ্রিট সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ইউরোপীয় স্টাডিজ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি ইতালীয়, ইংরেজি, ফরাসি ও স্প্যানিশ ভাষায় পারদর্শী। মি. জ্যাসেপ্পে লোপ্রিট ইতালির বের্গামো শহরের বাসিন্দা। তিনি বিবাহিত এবং এক সন্তানের জনক।
তিনি ২০০৭ সালে জেনেভা সদর দপ্তরে অ্যাসোসিয়েট এক্সপার্ট/ডোনার রিলেশনস অফিসার হিসেবে আইওএম-এ যোগ দেন। তাঁর কর্মজীবনে এ সংস্থার হয়ে তিনি হাইতি, নাইজার এবং সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে চীফ অব মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি শ্রীলঙ্কায় প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্ট অফিসার এবং চীফ অব মিশন (অন্তর্বর্তীকালীন) হিসেবে কাজ করেছেন।
আইওএম-এ যোগদানের আগে তিনি ইতালির শ্রম মন্ত্রণালয় এবং ইতালিয়ান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যাটিস্টিকসে পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া রোম, ইতালিতে আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান সহযোগিতা বিষয়ক একটি অলাভজনক সংস্থায় টেন্ডার অফিসার হিসেবেও কর্মরত ছিলেন।
মি. জ্যাসেপ্পে লোপ্রিট সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ইউরোপীয় স্টাডিজ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি ইতালীয়, ইংরেজি, ফরাসি ও স্প্যানিশ ভাষায় পারদর্শী। মি. জ্যাসেপ্পে লোপ্রিট ইতালির বের্গামো শহরের বাসিন্দা। তিনি বিবাহিত এবং এক সন্তানের জনক।
আরো পড়ুন
ম্যাক্স টুনন (মি.) বাংলাদেশের আইএলও অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে, ১ আগস্ট ২০২৫ থেকে, তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
এর আগে, তিনি কাতারের দোহায় আইএলও অফিসের কর্ম প্রধান ছিলেন। এই পদে তিনি কাতার সরকার এবং নানা অংশীদারদের সাথে একটি বিস্তৃত শ্রম সংস্কার এজেন্ডায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছিলেন। তিনি একই অফিসে কারিগরি বিশেষজ্ঞ হিসেবে মজুরি সুরক্ষা, শ্রম ব্যাবস্থা পরিদর্শন এবং পেশাগত সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কর্মসূচি তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন।
২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত, মি. টুনন নয়াদিল্লিতে আইএলও উপ-আঞ্চলিক অফিসে অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার শ্রম অভিবাসন (মাইগ্রেসন) বিশেষজ্ঞ ছিলেন। সেখানে তিনি ছয়টি দেশে এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে শ্রম অভিবাসনের শাসনের নীতি নির্ধারণে সহায়তা করেছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে গবেষণা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সরকার এবং সামাজিক অংশীদারদের পরামর্শমূলক সাহায্য প্রদান।
২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত, তিনি ব্যাংককে আইএলও আঞ্চলিক অফিসে ট্রায়াঙ্গেল প্রকল্প পরিচালনা করেছিলেন। এই কাজটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছয়টি দেশ এবং আসিয়ান আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়োগ এবং শ্রম সুরক্ষা নীতি এবং অনুশীলনকে শক্তিশালী করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। তিনি থাইল্যান্ডের সামুদ্রিক মাছ উত্তেলন এবং সামুদ্রিক খাবার প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে কর্মপরিবেশ উন্নত করার জন্য কর্মসূচিতেও কাজ করেছেন।
এর আগে, তিনি কাতারের দোহায় আইএলও অফিসের কর্ম প্রধান ছিলেন। এই পদে তিনি কাতার সরকার এবং নানা অংশীদারদের সাথে একটি বিস্তৃত শ্রম সংস্কার এজেন্ডায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছিলেন। তিনি একই অফিসে কারিগরি বিশেষজ্ঞ হিসেবে মজুরি সুরক্ষা, শ্রম ব্যাবস্থা পরিদর্শন এবং পেশাগত সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কর্মসূচি তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন।
২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত, মি. টুনন নয়াদিল্লিতে আইএলও উপ-আঞ্চলিক অফিসে অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার শ্রম অভিবাসন (মাইগ্রেসন) বিশেষজ্ঞ ছিলেন। সেখানে তিনি ছয়টি দেশে এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে শ্রম অভিবাসনের শাসনের নীতি নির্ধারণে সহায়তা করেছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে গবেষণা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সরকার এবং সামাজিক অংশীদারদের পরামর্শমূলক সাহায্য প্রদান।
২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত, তিনি ব্যাংককে আইএলও আঞ্চলিক অফিসে ট্রায়াঙ্গেল প্রকল্প পরিচালনা করেছিলেন। এই কাজটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছয়টি দেশ এবং আসিয়ান আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়োগ এবং শ্রম সুরক্ষা নীতি এবং অনুশীলনকে শক্তিশালী করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। তিনি থাইল্যান্ডের সামুদ্রিক মাছ উত্তেলন এবং সামুদ্রিক খাবার প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে কর্মপরিবেশ উন্নত করার জন্য কর্মসূচিতেও কাজ করেছেন।
আরো পড়ুন
রানা ফ্লাওয়ার্স
ইউনিসেফ
বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি
মিজ রানা ফ্লাওয়ারস ইউনিসেফ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে, বাংলাদেশে জাতিসংঘের কান্ট্রি টিমে যোগদান করেছেন। মিজ ফ্লাওয়ারস একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক।
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন, শিশু-সম্পর্কিত উন্নয়ন বিষয় এবং নীতি প্রণয়নে তার ৩৫ বছরেরও বেশি দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশে তার নিয়োগের আগে, তিনি ভিয়েতনাম, চীন, কম্বোডিয়া, মঙ্গোলিয়া এবং বেলিযে, ইউনিসেফ প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ইউনিসেফ-এ যোগদানের আগে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যে, শিশু উন্নয়ন ও নীতি প্রণয়নেও কাজ করেছেন।
মিজ ফ্লাওয়ারস ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং সমাজকর্ম ও কলা অনুষদে, স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন, শিশু-সম্পর্কিত উন্নয়ন বিষয় এবং নীতি প্রণয়নে তার ৩৫ বছরেরও বেশি দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশে তার নিয়োগের আগে, তিনি ভিয়েতনাম, চীন, কম্বোডিয়া, মঙ্গোলিয়া এবং বেলিযে, ইউনিসেফ প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ইউনিসেফ-এ যোগদানের আগে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যে, শিশু উন্নয়ন ও নীতি প্রণয়নেও কাজ করেছেন।
মিজ ফ্লাওয়ারস ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং সমাজকর্ম ও কলা অনুষদে, স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।
আরো পড়ুন
ড. সায়মা খান বাংলাদেশে ইউএনএইডস কান্ট্রি অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর। তিনি ইউএনএইডস এ যোগ দেন ২০১২ সালে।
এর আগে তিনি ইউনিসেফ, সেভ দ্য চিলড্রেন, বিশ্ব ব্যাংক, আইসিডিডিআর,বি ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। এইচআইভি প্রতিরোধে ড. সায়মা সক্রিয়ভাগে উদ্ভাবনী ও কৌশলগত চিন্তাভাবনা প্রয়োগ করেছেন। পাশাপাশি তিনি রোগ প্রতিরোধ প্রচেষ্টায় মানবাধিকারের বিষয়টি নিয়েও প্রচারণা চালাচ্ছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করা এই চিকিৎসক, জনস হপকিনস ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ থেকে এমপিএইচ সম্পন্ন করেছেন। তিনি হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস বিষয়ে জনস হপকিনস ব্লুমবার্গ’স স্কুল অব পাবলিক হেলথ থেকে এবং হাওয়াইয়ের ইস্ট-ওয়েস্ট সেন্টার থেকে এইডস এপিডেমিক মডেলের ওপর সার্টিফায়েড কোর্সও করেছেন।
এর আগে তিনি ইউনিসেফ, সেভ দ্য চিলড্রেন, বিশ্ব ব্যাংক, আইসিডিডিআর,বি ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। এইচআইভি প্রতিরোধে ড. সায়মা সক্রিয়ভাগে উদ্ভাবনী ও কৌশলগত চিন্তাভাবনা প্রয়োগ করেছেন। পাশাপাশি তিনি রোগ প্রতিরোধ প্রচেষ্টায় মানবাধিকারের বিষয়টি নিয়েও প্রচারণা চালাচ্ছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করা এই চিকিৎসক, জনস হপকিনস ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ থেকে এমপিএইচ সম্পন্ন করেছেন। তিনি হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস বিষয়ে জনস হপকিনস ব্লুমবার্গ’স স্কুল অব পাবলিক হেলথ থেকে এবং হাওয়াইয়ের ইস্ট-ওয়েস্ট সেন্টার থেকে এইডস এপিডেমিক মডেলের ওপর সার্টিফায়েড কোর্সও করেছেন।
আরো পড়ুন
সিমোন পার্চমেন্ট ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বাংলাদেশ–এর ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই দায়িত্বে তিনি সংস্থাটির সামগ্রিক কার্যক্রমে নেতৃত্বের পাশাপাশি, ডোনার ও গভার্নমেন্ট পার্টনারশিপস, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, রিপোর্টিং অ্যান্ড কমিউনিকেশনস, হিউম্যান রিসোর্সেস ও স্টাফ ওয়েলনেস, আইটি, ফাইন্যান্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সেবা এবং সিকিউরিটি–সংক্রান্ত কার্যক্রম তদারকি করছেন।
তিনি আগস্ট ২০২২ সাল থেকে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এই পদে তিনি সরাসরি প্রোগ্রাম পোর্টফোলিও পরিচালনা করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে সকল সিএসপি কার্যক্রম; নিউট্রিশন; রিসার্চ, অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন (র্যাম); প্রোটেকশন; এবং ফুড সিকিউরিটি ক্লাস্টার। একই সঙ্গে তিনি সাপ্লাই চেইন (লজিস্টিকস ও প্রোকিউরমেন্ট), বাজেট অ্যান্ড প্রোগ্রামিং এবং মাঠ পর্যায় অফিস সমূহের দায়িত্বে ছিলেন।
বাংলাদেশে যোগদানের আগে সিমোন নাইজেরিয়ার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কান্ট্রি অফিসে ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম অ্যান্ড অপারেশন্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তিনি প্রোগ্রাম, সাপ্লাই চেইন, বাজেট, র্যাম, পার্টনারশিপস, প্রোটেকশন, জেন্ডার, ইউনাইটেড নেশনস হিউম্যানিটারিয়ান এয়ার সার্ভিস (উনহাস) এবং ফুড সিকিউরিটি সেক্টরসহ সম্পূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
সিমোন ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ডব্লিউএফপি–তে যোগদান করেন। এর আগে তিনি মিশর কান্ট্রি অফিসে ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তারও আগে তিনি ডব্লিউএফপি রোম সদর দপ্তরের আইন এবং হিউম্যান রিসোর্সেস বিভাগে কাজ করেছেন।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে যোগদানের পূর্বে সিমোন জ্যামাইকার সুপ্রিম কোর্টে ডেপুটি রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সিমোন যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়াশিংটন কলেজ অব ল–থেকে ইন্টারন্যাশনাল ল–এ মাস্টার অব ল (এলএলএম) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি জ্যামাইকার নরম্যান ম্যানলি ল স্কুল থেকে সার্টিফিকেট অব লিগ্যাল এডুকেশন (সিএলই) এবং বার্বাডোসের ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে ব্যাচেলর অব ল (এলএলবি) ডিগ্রি লাভ করেছেন। তিনি একজন জ্যামাইকার নাগরিক।
তিনি আগস্ট ২০২২ সাল থেকে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এই পদে তিনি সরাসরি প্রোগ্রাম পোর্টফোলিও পরিচালনা করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে সকল সিএসপি কার্যক্রম; নিউট্রিশন; রিসার্চ, অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন (র্যাম); প্রোটেকশন; এবং ফুড সিকিউরিটি ক্লাস্টার। একই সঙ্গে তিনি সাপ্লাই চেইন (লজিস্টিকস ও প্রোকিউরমেন্ট), বাজেট অ্যান্ড প্রোগ্রামিং এবং মাঠ পর্যায় অফিস সমূহের দায়িত্বে ছিলেন।
বাংলাদেশে যোগদানের আগে সিমোন নাইজেরিয়ার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কান্ট্রি অফিসে ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম অ্যান্ড অপারেশন্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তিনি প্রোগ্রাম, সাপ্লাই চেইন, বাজেট, র্যাম, পার্টনারশিপস, প্রোটেকশন, জেন্ডার, ইউনাইটেড নেশনস হিউম্যানিটারিয়ান এয়ার সার্ভিস (উনহাস) এবং ফুড সিকিউরিটি সেক্টরসহ সম্পূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
সিমোন ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ডব্লিউএফপি–তে যোগদান করেন। এর আগে তিনি মিশর কান্ট্রি অফিসে ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তারও আগে তিনি ডব্লিউএফপি রোম সদর দপ্তরের আইন এবং হিউম্যান রিসোর্সেস বিভাগে কাজ করেছেন।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে যোগদানের পূর্বে সিমোন জ্যামাইকার সুপ্রিম কোর্টে ডেপুটি রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সিমোন যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়াশিংটন কলেজ অব ল–থেকে ইন্টারন্যাশনাল ল–এ মাস্টার অব ল (এলএলএম) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি জ্যামাইকার নরম্যান ম্যানলি ল স্কুল থেকে সার্টিফিকেট অব লিগ্যাল এডুকেশন (সিএলই) এবং বার্বাডোসের ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে ব্যাচেলর অব ল (এলএলবি) ডিগ্রি লাভ করেছেন। তিনি একজন জ্যামাইকার নাগরিক।
আরো পড়ুন
সুধীর মুরলীধরন, ইউএনওপিএস কান্ট্রি ম্যানেজার
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সেক্টরে ১৭ বছরসহ, ৩৩ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসহ, সুধীর মুরলীধরন বাংলাদেশে সুধীর মুরলীধরন, ইউএনওপিএস কান্ট্রি ম্যানেজার কাজ করছেন। পেশায় একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসাবে প্রশিক্ষিত, তিনি প্রোগ্রাম-পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনায়, বহু-কার্যকরী এবং বহু-শৃঙ্খলা দলের তত্ত্বাবধান, ঋণ এবং অনুদানের বিশ্বস্ত দিকগুলির তত্ত্বাবধান, এবং গুণমানের নিশ্চয়তা বিষয়ে বহুল অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা নিয়ে তিনি সংস্থাটি পরিচালনা করছেন। তিনি ২০১৭ সাহাল থেকে, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপে ইউএনওপিএস-এর কান্ট্রি ম্যানেজার হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ও ২০২২ সাল পর্যন্ত সেই দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১৫ সালে ইউএনওপিএস দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সহায়তা পরিষেবার প্রধান হিসাবে, ইউএনওপিএস শ্রীলঙ্কায় যোগদান করেন এবং ২০১৯-এর শেষ পর্যন্ত এই ভূমিকার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন। তিনি ইউএনওপিএস-এ যোগদান করেন ২০০৫ সালে চীনে গ্লোবাল ফান্ড লোকাল ফান্ড এজেন্ট প্রোগ্রামের সিনিয়র ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট এবং সিস্টেম বিশেষজ্ঞ হিসাবে। ২০০৯ সালে তিনি এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে এই প্রোগ্রামের জন্য আঞ্চলিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সিস্টেম বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরে তিনি এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ৬টি দেশের জন্য একই প্রোগ্রামের উপ-আঞ্চলিক সমন্বয়কারী নিযুক্ত হন।
ইউএনওপিএস-এ যোগদানের আগে,তিনি রোমে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট (আইএফএডি)-এর আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ঋণ প্রশাসন এবং প্রকিউরমেন্ট কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। এর আগে, তিনি ভারতের নয়া দিল্লিতে তার নিজস্ব অ্যাকাউন্টিং এবং অডিট অনুশীলন চালাতেন।
একজন ভারতীয় নাগরিক, মিঃ মুরলীধরন ইংরেজি, হিন্দি এবং মালায়লাম ভাষায় পারদর্শী।
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সেক্টরে ১৭ বছরসহ, ৩৩ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসহ, সুধীর মুরলীধরন বাংলাদেশে সুধীর মুরলীধরন, ইউএনওপিএস কান্ট্রি ম্যানেজার কাজ করছেন। পেশায় একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসাবে প্রশিক্ষিত, তিনি প্রোগ্রাম-পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনায়, বহু-কার্যকরী এবং বহু-শৃঙ্খলা দলের তত্ত্বাবধান, ঋণ এবং অনুদানের বিশ্বস্ত দিকগুলির তত্ত্বাবধান, এবং গুণমানের নিশ্চয়তা বিষয়ে বহুল অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা নিয়ে তিনি সংস্থাটি পরিচালনা করছেন। তিনি ২০১৭ সাহাল থেকে, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপে ইউএনওপিএস-এর কান্ট্রি ম্যানেজার হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ও ২০২২ সাল পর্যন্ত সেই দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১৫ সালে ইউএনওপিএস দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সহায়তা পরিষেবার প্রধান হিসাবে, ইউএনওপিএস শ্রীলঙ্কায় যোগদান করেন এবং ২০১৯-এর শেষ পর্যন্ত এই ভূমিকার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন। তিনি ইউএনওপিএস-এ যোগদান করেন ২০০৫ সালে চীনে গ্লোবাল ফান্ড লোকাল ফান্ড এজেন্ট প্রোগ্রামের সিনিয়র ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট এবং সিস্টেম বিশেষজ্ঞ হিসাবে। ২০০৯ সালে তিনি এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে এই প্রোগ্রামের জন্য আঞ্চলিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সিস্টেম বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরে তিনি এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ৬টি দেশের জন্য একই প্রোগ্রামের উপ-আঞ্চলিক সমন্বয়কারী নিযুক্ত হন।
ইউএনওপিএস-এ যোগদানের আগে,তিনি রোমে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট (আইএফএডি)-এর আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ঋণ প্রশাসন এবং প্রকিউরমেন্ট কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। এর আগে, তিনি ভারতের নয়া দিল্লিতে তার নিজস্ব অ্যাকাউন্টিং এবং অডিট অনুশীলন চালাতেন।
একজন ভারতীয় নাগরিক, মিঃ মুরলীধরন ইংরেজি, হিন্দি এবং মালায়লাম ভাষায় পারদর্শী।
আরো পড়ুন
সোনিয়া মেহজাবীন প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট এবং অপারেশন এর বিভিন্ন বিষয়ে বেসরকারী এবং উন্নয়ন উভয় ক্ষেত্রেই ২০ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে। ইউএনভি বাংলাদেশে যোগদানের আগে তিনি ইউএনডিপি আঞ্চলিক ব্যুরো ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিকের সাথে ব্যাংকক ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ হিসেবে ছিলেন। এর আগে তিনি ইউএনডিপি তিমুর-লেস্তে এবং বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসে অপারেশন ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ইউএনডিপি মালদ্বীপ, নেপাল এবং মালয়েশিয়া কান্ট্রি অফিস অপারেশনের পাশাপাশি নিউইয়র্কে ইউএনডিপি কর্পোরেট সদর দফতরে ব্যুরো অফ পলিসি অ্যান্ড প্রোগ্রাম সাপোর্টের সাথে স্বল্পমেয়াদী অ্যাসাইনমেন্টে কাজ করেছেন। কর্মজীবনের প্রথম দিকে, তিনি তেল ও গ্যাস এবং টেলিকম খাতে বেসরকারি বহুজাতিক সংস্থার সাথে কাজ করেছেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
She holds a master’s degree in Business Administration from the University of Dhaka.
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
She holds a master’s degree in Business Administration from the University of Dhaka.
আরো পড়ুন