জাতিসংঘ বাংলাদেশ কান্ট্রি টিম

গোয়েন লুইস বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী

গোয়েন লুইস

জাতিসংঘ
আবাসিক সমন্বয়কারী
গোয়েন লুইসের রয়েছে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন, শান্তিপ্রতিষ্ঠা ও মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে কাজের ২০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা।
বাংলাদেশে নিয়োগ পাওয়ার আগ পর্যন্ত ২০১৯ সাল থেকে গোয়েন লুইস পশ্চিম তীরে ইউনাইটেড নেশনস রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি (ইউএনআরডব্লিইউএ) অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক পদে কাজ করেছেন। পূর্ব জেরুজালেমসহ পশ্চিম তীরে কাজের সময় তিনি ৮ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে জরুরি সেবা ও মানবিক ত্রাণ সহায়তা দিতে নিয়োজিত ৪ হাজার শক্তিশালী দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
জেরুজালেমে দায়িত্ব পাওয়ার আগে গোয়েন লুইস লেবাননে ইউএনআরডব্লিইউএ-এর প্রোগ্রামস এ ডেপুটি ডিরেক্টর পদে কাজ করেছেন। ইউএনআরডব্লিউএ-তে কাজ শুরুর আগে তিনি জাতিসংঘ শিশু তহবিলে (ইউনিসেফ) কাজ করেছেন। সেখানে তিনি ইউনিসেফের ইমার্জেন্সি ডিভিশনে গ্লোবাল ক্লাস্টার্স কোঅর্ডিনেশন সেকশন ব্যবস্থাপনা করেছেন। গোয়েন লুইস ২০১২ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) থেকে ইউনিসেফ এ যোগ দেন। এফএওতেও তিনি কান্ট্রি অফিসগুলোয় মানবিক সহায়তা নীতি ও সহায়তা বিষয়ে কাজ করেছেন। গোয়েন লুইস জেনেভায় অফিস ফর দ্য কোঅর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যাফেয়ার্সেও (ওসিএইচএ) কাজ করেছেন। সেখানে তিনি জাতিসংঘ ও এনজিও অংশীদারীত্ব গঠনে কাজ করেছেন এবং মানবিক সহায়তা সংস্কার এজেন্ডা বাস্তবায়নে সহায়তা দিয়েছেন। তিনি দখলকৃত ফিলিস্তিন অঞ্চলে ওসিএইচএ এবং ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস এ (আইসিআরসি), কসভোয় জাতিসংঘ মিশনে এবং তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান ও আলবেনিয়ায় বিভিন্ন এনজিওতে কাজ করেছেন।
ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় পারদর্শী গোয়েন লুইস কেন্টারবারিতে ইউনিভার্সিটি অব কেন্ট থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ইউরোপিয়ান স্টাডিজ বিষয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি স্যান ফ্রান্সিসকো স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।
আবদুসাত্তর এসয়েভ

আবদুসাত্তর এসয়েভ

আইওএম
চিফ অব মিশন
 
আবদুসাত্তর এসয়েভ ২০২২ সালের এপ্রিল মাস থেকে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর মিশন প্রধান হিসেবে কাজ করছেন। এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২২ সালে রাশিয়ান ফেডারেশনে আওএম-এর মিশন প্রধান ছিলেন তিনি। ২০২০ সালে আবদুসাত্তরের সময় রাশিয়ান ফেডারেশন আইওএম-এর সদস্য রাষ্ট্র হয়।
২০১৫ থেকে ২০১৮ সালে আবদুসাত্তর আইওএম বাংলাদেশে সহকারী মিশন প্রধান ছিলেন। ওই সময়ে কক্সবাজারে আইওএম বাংলাদেশ-এর ব্যাপক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন তিনি। আইওএম-এর সাথে ২০ বছরের কর্মজীবনে তিনি তাজিকিস্তান (২০০৩-২০০৮), আফগানিস্তান (২০০৮-২০১৩) এবং সুদানে (২০১৩-২০১৫) ঊর্ধ্বতন পদে কাজ করেছেন।
আবদুসাত্তর যুক্তরাজ্যের লিভারপুল ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল্ডেন ইউনিভার্সিটি’র পাবলিক পলিসি অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে এমফিল সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও অর্থনীতি এবং ভাষাবিজ্ঞানে দুটি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন আবদুসাত্তর এসয়েভ।
Kristine Blokhus

ক্রিস্টিন ব্লোখুস

ইউএনএফপিএ
রিপ্রেজেন্টিটিভ
 
মিস ক্রিস্টিন ব্লোখুস ইউএনএফপিএ বাংলাদেশ এর বর্তমান কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিটিভ। নরওয়েজিয়ান নাগরিক মিস ব্লোখুস, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে ২০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন।
বাংলাদেশে নিয়োগের আগে তিনি ফিলিস্তিনে ইউএনএফপি-এর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। ২০০৫ সালে জাতিসংঘের সাথে তার কর্মজীবন শুরু করার পর থেকে, মিস ব্লোখুস, ইউএনএফপিএ এবং ইউএনডিপি এর সাথে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান, বলকান, এবং ইউএনডিপির ইউরোপ এবং সিআইএসের আঞ্চলিক ব্যুরোতে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে কাজ করেছেন।
মিস ব্লোখুস লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স থেকে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং ফরাসিতে ডবল ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
Portrait of the UN Women Representative in Bangladesh

গীতাঞ্জলী সিং

ইউএন উইমেন
কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ
 
গীতাঞ্জলী সিং ইউএন উইমেন এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে ২০২২ সালের জুলাই থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ইউনিফেম ও ইউএন উইমেনের সঙ্গে আছেন ১৯৯৮ সাল থেকে। নেপালের কান্ট্রি অফিসে ২০১৩ সালে ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে যোগদানের আগে তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক কার্যালয়ে কাজ করেছেন। দক্ষিণ এশিয়া কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন কালে তিনি ভুটান ও মালদ্বীপ বিষয়ক মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছেন। নারীর অধিকার ও জেন্ডারসমতা, বিশেষ করে উন্নয়ন-মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ কনভেনশন (সিডো) বাস্তবায়নের কাজের ১৭ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ফলিত মনোবিদ্যায় মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
Charles Callanan-UNOPS

চার্লস ক্যালেনান

ইউএনওপিএস
ইউএনওপিএস বাংলাদেশ মাল্টি-কান্ট্রি অফিসের পরিচালক
 
বিভিন্ন অঞ্চলে ও সংস্থায় উন্নয়ন ও কার্যক্রম পরিচালনায় ২০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন চার্লস ক্যালেনান এখন ইউএনওপিএস বাংলাদেশ মাল্টি-কান্ট্রি অফিসের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই কার্যালয় ২০২১ সালে নেপাল থেকে বাংলাদেশে স্থানান্তর করা হয়েছে। কার্যালয়টি বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপে ইউএনওপিএসের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত।
এর আগে ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর চার্লস ক্যালেনান নেপালে ইউএনওপিএস কেন্দ্র ও দেশটিতে কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। সে সময় তিনি ১০ লাখ বাড়িঘরে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে বিস্তারিত সমীক্ষা পরিচালনাসহ বড় পরিসরে পুনর্গঠন ও দক্ষতা বৃদ্ধি কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এর আগে তিনি ইউএনওপিএসের নিউইয়র্ক কার্যালয়ের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, যেখানে তিনি ১১০টি দেশে কার্যক্রম ব্যবস্থাপনা করেছেন এবং নির্বাহী পর্ষদে ইউএনওপিএেসর প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে এমবিএ সম্পন্ন করা চার্লস ক্যালেনান একজন এমআইটি স্লোন ফেলো এবং ফলিত বিজ্ঞানে (এনভায়ারনমেন্টাল জিওলজি) স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
UNIDO Representative

জাকি উজ জামান

ইউনিডো
রিপ্রেজেন্টেটিভ
 
বাংলাদেশের নাগরিক জাকি উজ জামান বাংলাদেশে ইউনিডো কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে ২০১৭ সালের মে মাসে নিয়োগ পান। এর আগে তিনি ২০১০ সাল থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে ইউনিডো অপারেশনসের প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন। ইউএনআইডিওতে যোগদানের আগে জাকি উজ জামান বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের বেসরকারি খাত বিষয়ক শাখা ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশনে (আইএফসি) কাজ করেছেন। সেখানে তিনি আইএফসি পরামর্শক শাখার কৃষিব্যবসা কর্মসূচি প্রণয়ন করেছেন। কর্মজীবনে জাকি উজ জামান জাতিসংঘের সহায়ক সংস্থা, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় এনজিওর মধ্যে আন্তঃসংস্থা সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকেছেন। ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন জাকি উজ জামান। তিনি জাপানের হোক্কাইডো ইউনিভার্সিটি থেকে কৃষি বিপণন বিষয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
Jesmul Hasan UNCDF Focal Point

জেসমুল হাসান

ইউএনসিডিএফ
কান্ট্রি ফোকাল পয়েন্ট (প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট)
 
উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ জেসমুল হাসানের ২২ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা। হার্ভার্ড কেনেডি স্কুল থেকে গ্র্যাজুয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করা জেসমুল বাংলাদেশে ইউএনসিডিএফের কান্ট্রি ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করছেন। তিনি ইউএন রেসিডেন্ট কোঅর্ডিনেটরের কার্যালয়, জাতিসংঘ সংস্থাগুলো এবং সরকারের মধ্যে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেন। ইউএনসিডিএফে যোগদানের আগে তিনি ডিএফআইডি, সিডা, ইউএনএইচসিআর, আইএলও এবং সেভ দ্য চিলড্রেনে কাজ করেছেন। তিনি শিক্ষক, মানবাধিকার কর্মী ও সংবাদমাধ্যম কর্মী হিসেবেও কাজ করেছেন। মানবাধিকার বিষয়ে তাঁর বেশ কয়েকটি প্রকাশনা রয়েছে।
Johannes van der Klaauw

জোহানেস ভন ডার ক্ল

ইউএনএইচসিআর
রিপ্রেজেন্টেটিভ
 
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জোহানেস ভন ডার ক্ল বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআর রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এ দেশে আশ্রিত ৮ লাখ ৭০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ইউএনএইচসিআরের সহায়তা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয়ে গঠিত স্ট্রাটেজিক এক্সিকিউটিভ গ্রুপের কো-চেয়ারও। নেদারল্যান্ডসের নাগরিক জোহানেস ভন ডার ক্ল বাংলাদেশে আসার আগে মালিতে ডেপুটি হিউমেনিটেরিয়ান কোঅর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে জোহানেস ভন ডার ক্লয়ের যাত্রা শুরু ১৯৯৫ সালে ব্রাসেলসে ইউএনএইচসিআরের সিনিয়র লিয়াজুঁ অফিসে যোগদানের মাধ্যমে। পরবর্তীতে তিনি জেনেভায় সদর দপ্তরসহ ইরান, মরক্কো, ইয়েমেন, কানাডা ও দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলে জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা ও নেতৃস্থানীয় পদে থেকে কাজ করেছেন। তিনি ইয়েমেনে হিউমেনিটেরিয়ান কোঅর্ডিনেটর হিসেবেও কাজ করেছেন। ইউএনএইচসিআরে যোগদানের আগে তিনি এ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালে কাজ করেছেন। জোহানেস ভন ডার ক্ল নেদারল্যান্ডসের লিডেন ইউনিভার্সিটি থেকে ডিভাইনিটি/কমপারেটিভ রিলিজিয়ন বিষয়ে মাস্টার্স এবং কলা/দর্শন শাস্ত্রে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
Portrait of the ILO Representative in Bangladesh

টুওমো পোটিআইনেন

আইএলও
কান্ট্রি ডিরেক্টর
 
টুওমো পোটিআইনেন আইএলওর সঙ্গে ফিলিপাইন, সুইজারল্যান্ড, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশে ২০ বছর কাজ করেছেন। আইএলওর সঙ্গে কাজের সময় তিনি সামাজিক পর্যায়ে উন্নয়ন, শিশুশ্রম বন্ধ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সংক্রান্ত বিষয়, জীবনমানের উন্নয়ন এবং শান্তি ও উন্নয়ন উদ্যোগের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় টুওমো পোটিয়াইনেন সুন্দর কর্মপরিবেশ সৃষ্টি, শ্রম অধিকার ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় শিল্পোন্নয়ন প্রক্রিয়ার ব্যবস্থাপনা প্রণয়ন ও পরিচালনায় বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠেছেন। ফিনল্যান্ডের নাগরিক টুওমো পোটিয়াইনেন এইক্স-মার্সাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্সে মাস্টার্স ডিগ্রি এবং জেনারেল হিস্টোরি অ্যান্ড স্যোশাল পলিসি (অ্যাডভান্সড মাস্টার্স) বিষয়ে লিক.ফিল ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
Dr Arnoud Hameleers

ড. আর্নড হ্যামলিয়ার্স

ইফাদ
ইফাদ কান্ট্রি ডিরেক্টর
 
আর্নড হ্যামলিয়ার্স ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে বাংলাদেশে ইফাদের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করছেন। তিনি নতুন কৌশল ও কর্মসূচি প্রণয়ন ও নীতি সংশ্লিষ্টতা এবং সরকার ও উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে অংশীদারীত্বে নেতৃত্ব দেন। তিনি বাংলাদেশে ইফাদের উপস্থিতির ওপর আলোকপাত করতে যোগাযোগ ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনা কর্মকাণ্ডেও নেতৃত্ব দেন।
আর্নড হ্যামলিয়ার্স বলিভিয়া ও হন্ডুরাসেরও কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১৬ সালে ইফাদে যোগদানের আগে তিনি বলিভিয়ায় ড্যানিডার কৃষি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সিনিয়র টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজর হিসেবে কাজ করেছেন। এর আগে তিনি নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র ডেইরি সায়েন্টিস্ট, বলিভিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় সহায়ক কর্মসূচির প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এবং স্কটল্যান্ডের স্কটিশ এগ্রিকালচারাল কলেজের ডেইরি রিসার্চ প্রোগ্রাম ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন।
আর্নড হ্যামলিয়ার্স ইউনিভার্সিটি অব গ্লাসগো থেকে এগ্রিকালচারাল সিস্টেমসের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এর আগে তিনি ইউনিভার্সিটি অব এডিনবরা থেকে এমএসসি এবং নেদারল্যান্ডসের ট্রপিক্যাল এগ্রিকালচারাল কলেজ থেকে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
Portrait of the WHO Representative in Bangladesh

বারদান জাং রানা

ডব্লিউএইচও
রিপ্রেজেন্টেটিভ
 
ড. বারদান জাং রানা বাংলাদেশে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর থেকে ডব্লিউএইচওর রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে আছেন। এর আগে তিনি নয়াদিল্লিতে ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক কার্যালয়ে রিজিওনাল অ্যাডভাইজর অ্যান্ড টিম লিড ফর কান্ট্রি হেলথ ইমার্জেন্সি প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল হেলথ রেগুলেশন হিসেবে কাজ করেছেন। ডব্লিউএইচওতে যোগদানের আগে ড. বারদান দক্ষিণ কোরিয়ায় হেলথ কোঅর্ডিনেটর হিসেবে এবং সুদানে ইউনিসেফের পাবলিক হেলথ অফিসার হিসেবে কাজ করেছেন। ড. বারদান একজন চিকিৎসক যিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ট্রপিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড হাইজিন বিষয়ে পোস্টগ্র্যাজুয়েট, সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে পাবলিক হেলথ বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন। নেপালের নাগরিক ড. বারদান বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক।
Portrait of the FAO Representative in Bangladesh

রবার্ট সিম্পসন

এফএও
রিপ্রেজেন্টেটিভ
 
রবার্ট সিম্পসন বাংলাদেশে এফএও রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের এই নাগরিক এফএওতে যোগদান করেন ২০০৮ সালে। প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি ফরেস্ট্রি ডিপার্টমেন্টে কাজ করেছেন। এর আগে তিনি ইতালির রোমে এফএও সদর দপ্তরে এফএও-ইইউ ফরেস্ট ল এনফোর্সমেন্ট, গভার্নেন্স অ্যান্ড ট্রেড (এফএলইজিটি) কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা করেছেন। তার আগে রবার্ট সিম্পসন মাদাগাস্কারে আন্তানানারিভোয় মার্কিন দূতাবাসে এবং দেশে একটি বন সংরক্ষণ ও ব্যবস্থা সংস্থায় কাজ করেছেন। রবার্ট সিম্পসন ইউনাইটেড স্টেটস ফরেস্ট সার্ভিসের লাইবেরিয়া ফরেস্ট ইনিশিয়েটিভ প্রোগ্রামেও কাজ করেছেন।
শেলডন ইয়েট

শেলডন ইয়েট

ইউনিসেফ
রিপ্রেজেন্টেটিভ
 
মি. শেলডন ইয়েট বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, মি. ইয়েট ১৯৯৭ সাল থেকে ইউনিসেফের জন্য কাজ করছেন। উন্নয়ন কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা এবং জরুরী মানবিক পরিস্থিতি পরিচালনায় তাঁর অভিজ্ঞতা ব্যাপক। বাংলাদেশে নিয়োগের আগে তিনি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের দেশসমুহে ইউনিসেফের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি লাইবেরিয়াতে ইউনিসেফ প্রতিনিধি, প্রাক্তন যুগোস্লাভিয়ার মেসিডোনিয়া প্রজাতন্ত্র এবং আর্মেনিয়ায় ইউনিসেফ প্রতিনিধি হিসাবেও কাজ করেছেন। উপরন্তু, মি. ইয়েট ইউনিসেফের হয়ে বুরুন্ডি, সোমালিয়া, কসোভো এবং নিউ ইয়র্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকায় কাজ করেছেন। জাতিসংঘে যোগদানের আগে মি. ইয়েট সাংবাদিক হিসাবে কাজ করতেন। তিনি জনস হপকিন্স স্কুল অফ অ্যাডভান্সড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতকোত্তর এবং রিড কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
Saima Khan

সায়মা খান

ইউএনএইডস
কান্ট্রি ডিরেক্টর
 
ড. সায়মা খান বাংলাদেশে ইউএনএইডস কান্ট্রি অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করা এই চিকিৎসক জনস হপকিনস ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ থেকে এমপিএইচ সম্পন্ন করেছেন। তিনি হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস বিষয়ে জনস হপকিনস ব্লুমবার্গ’স স্কুল অব পাবলিক হেলথ থেকে এবং হাওয়াইয়ের ইস্ট-ওয়েস্ট সেন্টার থেকে এইডস এপিডেমিক মডেলের ওপর সার্টিফায়েড কোর্সও করেছেন। তিনি ইউএনএইডসে যোগ দেন ২০১২ সালে। এর আগে তিনি ইউনিসেফ, সেভ দ্য চিলড্রেন, বিশ্ব ব্যাংক, আইসিডিডিআর,বি ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। এইচআইভি প্রতিরোধে ড. সায়মা সক্রিয়ভাগে উদ্ভাবনী ও কৌশলগত চিন্তাভাবনা প্রয়োগ করেছেন। পাশাপাশি তিনি রোগ প্রতিরোধ প্রচেষ্টায় মানবাধিকারের বিষয়টি নিয়েও প্রচারণা চালাচ্ছেন।