প্রেস রিলিজ

বন্যা দুর্গত এলাকাসমূহে দুর্যোগ মোকাবেলা কার্যক্রম বাস্তবায়ন পর্যালোচনার উদ্দেশে জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারীর সিলেট সফর

১৫ জানুয়ারী ২০২৩

সর্বাধিক ঝুঁকিগ্রস্ত জনগোষ্ঠির নিকট সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার কাজটি অংশীদারগণের নিষ্ঠা ও তাদের প্রয়াস অবিশ্বাস্যরকম প্রশংসনীয়” 

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস,সম্প্রতি ২০২২ সালে সিলেট অঞ্চলে প্রলয়ংকরী বন্যা আঘাত হানার পরবর্তীতে আকস্মিক বন্যার মানবিক সহায়তার পরিকল্পনার আওয়াতাধীন তহবিল থেকে বাস্তবায়িত  কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কার্যক্রম নিয়ে সিলেট অঞ্চলের জেলা প্রশাসক মোঃ মজিবর রহমান এবং স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা (এনজিও) সমূহের সাথে আলোচনা করার লক্ষ্যে সিলেট পরিদর্শন করেন।

সরকারকে সহযোগিতার অংশ হিসাবে সর্বাধিক বন্যা দুর্গত পাঁচটি জেলার ঝুঁকিগ্রস্ত জনগোষ্ঠির জন্য জীবনরক্ষাকারী সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ২০২২ সালের জুলাই মাসে জাতিসংঘ এবং এনজিও অংশিদারগণ বৃহৎ পরিসরে আকস্মিক বন্যায় সৃষ্ট দুর্ভোগ মোকাবেলায় মানবিক সহায়তার কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।

এনজিও সমূহের সাথে আলোচনায় গোয়েন লুইস বলেন “সর্বাধিক ঝুঁকিগ্রস্ত জনগোষ্ঠির নিকট সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার কাজটি অংশীদারগণের নিষ্ঠা ও তাদের প্রয়াস অবিশ্বাস্যরকম প্রশংসনীয়” এবং তিনি আগাম সতর্কীকরণ ও দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতিগ্রহণ জোরদার করার লক্ষ্যে তাদের সাথে কাজ অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উক্ত সভাসমূহে যেসকল বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে - ঝুকি সংক্রান্ত তথ্য ও আগাম সতর্কীকরণ পদ্ধতি বাস্তবায়ন, তথ্য ব্যবস্থাপনা, খাদ্য নিরাপত্তা ও বিভিন্ন জীবিকার ব্যবস্থা করা এবং ঝুঁকিগ্রস্ত জনগণের সুরক্ষা অর্ন্তভুক্ত ছিল।

অধিক তথ্যাদি

জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় (এম ও ডি এম আর) এর মাননীয় সচিব মোঃ কামরুল হাসান এর যৌথ নেতৃতে হিউম্যানিটেরিয়ান কোঅর্ডিনেশন টাস্ক টিম (এইচসিটিটি) কর্তৃক বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলার প্রয়াসসমূহকে গতিশীল করার লক্ষে আকস্মিক বন্যা মোকাবেলায় মানবিক ত্রাণ কার্যক্রম পরিকল্পনা প্রণীত হয়।

বন্যায় আক্রান্ত জনগোষ্ঠির জন্য জরুরি প্রয়োজনীয় সামগ্রী যোগান দেয়ার উদ্দেশ্যে মোট ২০.৪৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার সরবরাহ করা হয়েছে। সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভিবাজার এই পাঁচটি গুরুতর দুর্যোগ আক্রান্ত জেলার ৪,৬৮,৪০৮ জন মানুষের নিকট ত্রাণসামগ্রী পৌছানো হয়েছে। 

সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভিবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, ময়মনসিংহ ও শ্রীপুরের মতো উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৯ টি জেলায় সংঘঠিত বন্যা ও জলাবদ্ধতার করাল গ্রাসে আনুমানিক ৭২ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত। ১৯৯৮ ও ২০০৪ এ সংঘঠিত বন্যাসহ বিগত দশকসমূহে হানা দেওয়া যেকোনো বন্যাকে এই বছরের জলদুর্যোগের তীব্রতাকে হার মানিয়েছে।

এই উদ্যোগে জাতিসংঘের যে সকল সংস্থা যুক্ত

আরসিও
জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর অফিস

এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা যে অভীষ্টগুলোকে সমর্থন দিচ্ছি