গ্লোবাল অ্যাকশন এগেইনস্ট ট্র্যাফিকিং ইন পার্সন্স অ্যান্ড দ্য স্মাগলিং অব মাইগ্রেন্টস-বাংলাদেশ (গ্লো অ্যাক্ট-বাংলাদেশ) এর কাঠামোর আওতায় ইউএনওডিসি মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান মোকাবেলায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে সক্ষমতা বৃদ্ধির কর্মশালার আয়োজন করেছে। ২০২৩ সালের ৩০ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই কর্মশালার লক্ষ্য ছিল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় আইনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে বাংলাদেশে মানব পাচার তদন্তের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
মানব পাচারের মামলাগুলি সক্রিয়ভাবে সনাক্ত এবং তদন্ত করার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টায় গ্লো অ্যাক্ট-বাংলাদেশ মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানের জটিলতা সম্পর্কিত কর্মশালার আয়োজন করে আসছে। এসকল কর্মশালার মাধ্যমে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান অপরাধসমূহ ঘিরে যে জটিলতা রয়েছে সে সম্পর্কে তাদের স্বচ্ছ ধারণা দেয়া হয়।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মানব পাচার সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক ও জাতীয় আইনসমূহ, কাঠামো এবং তদন্ত কৌশল সম্পর্কে অবহিত করা হয়। কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে মানব পাচারের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এবং উন্নত তদন্ত কৌশলসম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। এই কর্মশালাটি জ্ঞান-ভাগাভাগি এবং সমন্বয়ের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবেও কাজ করেছিল, যার ফলে তদন্তকারী কর্মকর্তারা মানব পাচার তদন্ত পরিচালনা সম্পর্কে প্রাণবন্ত আলোচনায় জড়িত হতে সক্ষম হয়। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা মানব পাচার মামলার তদন্ত পদ্ধতি সম্পর্কে রেফারেন্স বুকলেটের উপর তাদের মতামত প্রদান করেন যাতে এটি বাংলাদেশের মাঠ পর্যায়ে তদন্তের প্রয়োজনীয়তার সাথে প্রাসঙ্গিক হয়।
বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত এসএসপি আফজাল হোসেন তার সেশনে হেডকোয়ার্টার্স পর্যায়ে বিদ্যমান প্রক্রিয়াগুলো তুলে ধরেন এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সিআইডির মানব পাচার সেল এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক সংস্থার সাথে কীভাবে সমন্বয় করতে পারেন তা তুলে ধরেন। তিনি চলমান কয়েকটি মামলার কথা বলেন, যার মধ্যে রয়েছে আন্তঃসীমান্ত মামলার তদন্ত এবং এটি গ্লো অ্যাক্ট-বাংলাদেশ কাঠামোর অধীনে গৃহীত একটি উদ্যোগ যা কিনা মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান মোকাবেলায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের অন্যতম ফলাফল।
গ্লো অ্যাক্ট-বাংলাদেশ আয়োজিত তদন্তকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে এটি কক্সবাজারে দ্বিতীয় কর্মশালা। এ কর্মশালায় জেলা পুলিশ, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন এবং বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের ২০ জন তদন্তকারী কর্মকর্তা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা যে টেকসই লক্ষ্যগুলোকে সমর্থন দিচ্ছি
Help us improve your experience.
We are upgrading this website platform to make it clearer,
faster and more accessible.
Can you take a two-minute survey to share your feedback and help shape this upgrade?